Header Ads Widget

❤️‍🔥অন্য রকম ভালোবাসা 🎉

 



Download,,






আমার জীবনে দুই বছর আগে ঘটে যাওয়া সম্পূর্ণ সত্যি ঘটনা আজ তোমাদের শোনাব। তবে ঘটনাটা শুনে সবাই যেন মজা পাই, সেইজন্য খুবই সামান্য পরিমাণে কল্পনার আশ্রয় নিয়েছে। তবে আমার এই ঘটনাটা 100% সত্যি ।


আমার নাম পারমিতা, আমি কলেজে এ পড়ি। আমি একটু দুরন্ত, ছুটন্ত স্বভাবের। ছেলেদের মতন হই হুল্লোর, বন্ধু বান্ধবীদের সাথে আড্ডা দেওয়া, ঘুরে বেড়ানো এইসব করতে ভালোবাসি। আর বেশিরভাগ সময়ের সঙ্গী হয় আমার ভাই নিলয়।

আমাদের ফ্যামিলিতে আমরা চারজন‌ – মা বাবা ,আমি আর ভাই ।

ভাই সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে।

আমার আর ভাইয়ের সম্পর্কটা- ভাই বোনের কম, বন্ধুত্বের অনেক বেশি ।

আমি আর ভাই একে অপরকে ছাড়া বেশি সময় থাকতে পারতাম না, আমাদের মধ্যেও ঝগড়া গন্ডগোল হতো, তবে সেটা বেশি সময় স্থায়ী হতো না আবার মিটে যেত।

গরমের জন্য আমি বাড়িতে সব সময় হাতা কাটা, ভিষন শর্ট ও টাইট একটা ফ্রক পড়ে থাকি । ফ্রকটা এতটাই শট যে আমার মসৃণ ধবধবে সাদা উরু সব সময় বেরিয়ে থাকে, এবং বসলে আমার প্যান্টি ও দেখা যায়। ফ্রকটা টাইট হওয়ার জন্য মাইয়ের বোঁটা বোঝা যায়। বাড়িতে আমি বেশি ব্রা পরি না ,সেজন্য দুদের বোঁটা দুটো আরো বেশি খারা হয়ে থাকে।

আমি খেয়াল করে দেখেছি নিলয় কথা বলতে বলতে আড়চোখে আমাকে দেখতে থাকে ।


নিলয়ের একটা নেশা হলো সে ঘুড়ি ওড়াতে ভালোবাসে, কী একটা কারণে আমার সাথে গন্ডগোল করে ,নিলাই ঘড়ি বানিয়ে উড়াতে যাচ্ছে।

আমিও সঙ্গে সঙ্গে ঘড়িটা কেড়ে নিয়ে ভেঙে দিলাম। ভেঙে দিয়ে আমি ঘরের দিকে দৌড় মারলাম। নিলয় আমার পিছন পিছন ঘরে ঢুকে টাল সামলাতে না পেরে আমার উপর পড়ে গেল, আমিও নিলয়ের ভরে নিলয়ের সাথে বিছানায় পড়ে গেলাম। নিলয়ের হাতটা গিয়ে পরল আমার দুদের উপর। নিলয় কি করবে বুঝতে না পেরে আমার দুদের উপর হালকা চাপ দিল।

আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হলো না লজ্জায়। লজ্জায় লাল হয়ে শেষমেশ ভাইকে বললাম এই শয়তান কি হচ্ছে ? ওঠ।

নিলয় তাড়াতাড়ি উঠে এক দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

আমি চোখ বুজে ওইভাবে বিছানায় পরে রইলাম।

নিলয়ের সেই স্পর্শটা কিছুতেই ভুলতে পারছিনা।

নিলয় যেন এক নিমেষে দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে আমার ভেতরটা। সেই স্পর্শের রেশটা আমার শরীরে একটা শিহরণ সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনার পরে দুজনের মাঝে একটা পরিবর্তন আসে। কিছুতেই দুজন দুজনার সামনে একেবারে সহজ হতে পারছিলাম না।

এই ব্যাপারটা আমার মায়ের চোখ থেকেও এড়ায় না। একদিন মা আমাকে জিজ্ঞাসা করে , কিরে তোদের মধ্যে কোন ঝগড়া হয়েছে নাকি?

কোই নাতো কিছুই হয়নি! বলে চলে গেলাম।


দুই এক দিন পর মামার বাড়িতে একটা বিয়েতে নেমন্তন্ন থাকায়, সেখানে মা আর বাবা চলে গেল । আমি আর ভাই বাড়ি রইলাম।

বাবা মারা গেছে বিকেল বেলায় ,সন্ধ্যার একটু আগে। রাত্রিবেলায় আমরা দুজনেই, চুপচাপ খাওয়া দাওয়া সেড়ে শুতে যাব ,তখন দেখি নিলয়ের চোখ মুখের অবস্থা কেমন পাল্টে যাচ্ছে।

গায়ে হাত দিয়ে দেখি ,গায়ে ভীষণ জ্বর।

নীলয়কে বললাম তোর গা তো জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।

ঘরে প্যারাসিটামল আছে আমি খেয়ে শুয়ে পড়বো। কিছু হবে না।

বলে ঘরে চলে গেল। আমি ঘরে যাওয়ার আগে বলে গেলাম, দরজা খুলে রাখিস রাত্রে জ্বর কেমন হল এসে দেখে যাবো।


ভাইয়ের জন্য আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। নিজের উপর রাগ হতে লাগলো।

কেন আমি এত দিন ভাইয়ের সাথে ভালো করে কথা বলিনি , কেন সব ঝামেলা মিটিয়ে নিই নি এইসব ভাবতে লাগলাম। ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে গেছি বুঝতে পারিনি।

এক সময় ঘুম ভেঙে ধর্মর করে উঠে , লাইট জ্বালিয়ে দেখি 12:30 বাজে।

আমি ভাইয়ের ঘরে গিয়ে, ভাইয়ের গায়ে হাত দিয়ে দেখি গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।

ভাই এরকম অবস্থা দেখে ,ভীষণ ভয় পেয়ে গেলাম । কিছুটা সময় বুঝতে পারলাম না, আমি কি করব ?

তারপর একটা বাটিতে জল এনে ভাইয়ের মাথায় জলপট্টি দিতে লাগলাম।

প্রায় একঘন্টা জলপট্টি দেওয়ার পর ,আস্তে আস্তে ভাইয়ের জ্ঞান ফিরল।

আস্তে আস্তে ভাই আমাকে জিজ্ঞেস করল

কি হয়েছে আমার দিদি ?

তুই প্রচন্ড জোরে অজ্ঞান হয়ে গেছিলি।

আমি এত সময় তোর মাথায় জলপট্টি দিচ্ছিলাম।

এখন কেমন লাগছে ভাই ?

জ্বর কমেছে ,আগের চেয়ে এখন ভালো লাগছে।

এই কথা বলে, নিলয় কেমন অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো ‌।

কি দেখিস ভাই ?

মুখটা কেমন ফ্যাকাসে হয়ে গেল, বলল তোকে !

আমি ভাইয়ের দিকে না তাকিয়ে একটু মুচকি হাসি দিলাম।

কিছুক্ষন দুজনেই চুপচাপ থাকার পর নিলয় বলতে লাগলো –

দেখ দিদি আমি জানি সেদিনকার ব্যাপারে তুই আমার উপর রেগে আছিস। ওটা একটা মিসটেক ছিল আমি চাই তুই আবার আমার সাথে আগের আগের মতন হাসি ঠাট্টা কর, কথা বল।

কি হলো দিদি কিছু তো বল ?

আমি চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি নিলয় চোখে জল। নিলয় চোখের জল দেখে আমার বুকের ভেতরটা মুচড়ে গেল।

এই ভাই তুই কাঁদছিস কেন ? পাগল তুই কাঁদলে আমার ভালো লাগে?

নিলয়ের জ্বর ও কান্নার জন্য কথা বারবার আটকে যাচ্ছিল।

তবুও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে অনেক কষ্টে বলল, তুমি জানো দিদি এই কটা দিন আমার কেমন কষ্টে কেটেছে ?

তোমার সাথে আর কিছুদিন কথা না বলতে পারলে আমি দম বন্ধ হয়ে মারা যেতাম।

আমার চোখে ও জল টলমল করছে।

ছিঃ ভাই এমন কথা আর কখনো মুখে আনবি না।

তুমি ছাড়া আমি কিভাবে থাকবো বল। এই কথা বলতে বলতে আমার চোখ দিয়েও জল গড়িয়ে পড়তে লাগল।

আমার সোনা ভাই টা, বলে নীলয়কে জড়িয়ে ধরলাম।

কিন্তু আজকে জড়িয়ে ধরাটা একটু অন্যরকম মনে হচ্ছে। দুজনের শরীরে এক অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতি।

নিলয় আমাকে জোরে জড়িয়ে ধরে , মুখটা আমার কাধে ডুবিয়ে দিলো , আমার শরীরের হালকা ঘামের ঝাঁঝালো গন্ধ বোধহয় নিলয় কে পাগল করে তুলেছে।

গন্ধটা আরো ভালো করে পাওয়ার জন্য আরো জোরে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে নিল।

আমার ব্রা বিহীন নরম দুদ জোড়া নিলয়ের বুকের সাথে লেপ্টে গেল।

নিলয়ের বুকের নিচে পিষ্ট হতে থাকলো আমার ব্রা বিহীন দুদ দুটো।

ওদিকে নীলয় যেন হারিয়ে গেছে ভালোলাগার অন্যকোন এক জগতে।

আমি ও দুই চোখ বন্ধ করে উপভোগ করছি ছোট ভাইযের উষ্ণ আলিঙ্গন।

হঠাৎই আমার খেয়াল হল নিলয় আমার সমস্ত পিঠে হাত বুলাতে শুরু করেছে।

নিলয় আমার সমস্ত পিঠে হাত বুলাচ্ছে ,আর আমার শরীর টা কেঁপে কেঁপে উঠছে।

আমি বুঝতে পারছি আমার দুধের বোটা আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে উঠছে।

দুই পায়ের ফাঁকের মাঝখানে কেমন যেন হচ্ছে ।নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছিনা।


হঠাৎই নিলয় বাহু বন্ধন থেকে আমাকে মুক্ত করে দিয়ে বলল –

অনেক রাত হয়েছে দিদি শুয়ে পড় এবার। আর রাত জাগিস না।

প্রথমে আমি কি করব বুঝে উঠতে পারলাম না।

তারপর বললাম ,ঠিক আছে আমি তোর ঘরে তোর সাথে শুয়ে পড়ছি, রাতে যদি আবার কোনো অসুবিধা হয়।

না দিদি কোন অসুবিধা হবে না তুমি তোমার ঘরে যেয়ে শুয়ে পড়ো।

আমি একটু রাগ করে বললাম ,খুব বড় হয়ে গেছিস তাই না ? যেটা বলছি সেটা শোন?

নিলয় আর কিছু না বলে অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ল আমি ও নিলয়ের পাশে শুয়ে পড়লাম।



আমি শুয়ে ছিলাম কিন্তু আমার ঘুম আসছিল না, আমি ভাইয়ের কথাগুলো ভাবছিলাম। ভাবতে ভাবতে একটু চোখ দুটো লেগে এসেছিল।


আমার গরমে ঘুম ভেঙে গেল।

দেখি আমার ভাই নিলয় আমাকে পিছন দিক থেকে কোলবালিশের মতো করে জড়িয়ে ধরে আছে। একটা পা কোমরের উপর তুলে দিয়েছে।

নিলয়ের কোলবালিশ নিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস ছিল। তারপর জ্বরে কষ্ট পাচ্ছে, তাই আমি আর কিছু বললাম না।

একটু পরে ভাই নিলয়ের একটা হাত এসে পড়ল আমার দুদের উপর।

আমি কোন সাড়াশব্দ করলাম না। হয়তো ঘুমিয়ে আছে ভাই, ঘুমের ঘরে করছে।

ভাইয়ের যে হাতটা আমার দুধের উপরে ছিল, সেই হাতটা আস্তে আস্তে আমার দুধের উপর চাপ দিতে লাগল।

সেই দিন আমার পরনে ছিল একটা ঢিলেঢালা টপ ও থ্রিকোয়াটার প্যান্ট ,আগেই বলেছি বাড়িতে আমি ব্রা কম পরি। সেই দিন ও পরা ছিল না।

আমি কিছু বলছি না দেখে , ভাইয়ের সাহস আর ও বেড়ে গেল।

ভাই টপের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিল।

ভাই খুব যত্ন নিয়ে ধীরে ধীরে আমার দুদ দুটো চাপতে লাগল।

সাবধানতা বজায় রাখছিল, যেন আমি টের না পাই । ভাই পিছন থেকে আমার দুধ টেপছে , আর আমি মনের সুখে ভাইকে দিয়ে দুধ টিপিয়ে একটু একটু করে নিজের উপর আমার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছি। এবার অনুভব করলাম দুধ টিপার সাথে সাথে আমার পাচার খাজে কিছু একটা গুতো মারছে।

এত সময় শুধু পেছন থেকে দুধ টিপছিল শয়তান ভাইটা ।এখন পীছনে গুতো মারছে ।

আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না, এইভাবে ভাই আর কিছু সময় যদি আমার দুধ চটকাতে চটকাতে, পীছনে গুতো মারে তাহলে শাইতান ভাইকে তো কোন ভাবে আটকাতে পারব না, আমার পুরো শরীর টা তছনছ করে ফেলবে।


আমার দুধ টিপতে থাকা ভাইয়ের হাতটা খপ করে ধরে বসলাম । সঙ্গে সঙ্গে আমার পিছনে গুত মারা বন্ধ হয়ে গেল, কোমর থেকে পা নেমে গেল।

ভাইয়ের হাতটা আমার বুকে চেপে রেখেই ,ভাইয়ের দিকে ফিরলাম।

দুজনের মুখোমুখি হয়ে গেলাম।ভাইয়ের গরম নিশ্বাস আমার মুখে এসে পরতে লাগতে লাগলো।

আমি দেখলাম ভাইয়ের চোখ লাল হয়ে আছে।

জিজ্ঞেস করলাম কি করছো এসব ?

ভাই হাত টা বের করে নিতে গেল ।

আমিও হাতটা শক্ত করে টানদিলাম। টান দিতেই ভাইয়ের ঠোঁটে ঠোঁট লেগে গেল ‌।

আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম।

হাতটা সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দিলাম।

কিন্তু দুজনের কেউ ঠোট থেকে ঠোট সরাল না।

ভাই আমার ঠোঁটে ছোট্ট একটা কিস করলো।

আমি কিছু বলছি না দেখে ভাই আমার ঠোট আস্তে আস্তে চুষতে লাগল।

আমি আর কিছু বলতে পারলাম না। কেবল অসহায় হয়ে কিস খেতে লাগলাম।

ভাই আমার চিবুক ধরে কিস করতে লাগল, আমি একটু একটু করে সাড়া দিতে লাগলাম।

একটু একটু করে দুজনেই চুমুর খেলায় মেতে উঠলাম। আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই ভাই আমার টপটা খুলে ফেলে, ক্ষুদার্থ পশুর মত আমার দুধু দুটোর উপর ওপর ঝাঁপিয়ে পডরে আমার দুধু দুটো নিয়ে এলোপাতাড়ি চুমু খেতে লাগলো, কামড়াতে লাগলো, গায়ের জোরে টিপে তছনছ করে ফেলতে লাগলো।

আমি চিৎকার করছি ,ব্যথায় গোঙ্গাছি। কিন্তু আমার ভাই নিলয়ের সেদিকে কোন হুশ নেই।



শয়তান ভাইটা এবার আমার দুধ দুটো ছেড়ে, আমার তলপেটের ওপর বসে আমার ঠোঁটে কিস করা শুরু করে আস্তে আস্তে নিচের দিকে কিস করতে করতে ,আমার থ্রি কোয়াটার প্যান্ট টা খুলে দিল । আমি আটকাতে চাইলেও পারলাম না।

আমার পরনে এখন শুধু একটা প্যান্টি।

নিলয় আমার প্যান্টির উপর দিয়ে আমার গুদে কিস করল।, আমার সমস্ত শরীর জুড়ে একটা শিহরণ খেলে গেল।

শয়তান ভাইটা আমার প্যান্টিও খুলে দিল

আমি এখন আমার মায়ের পেটের ভাই এর সামনে সম্পূর্ণ ল্যাংটো হয়ে আছি।

হঠাৎ করে আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিলয় আমাকে জড়িয়ে ধরে আবারও পেছন দিকে ঘুরিয়ে নিলয়ের সামনে আমার পিঠটা করে নিল । আমার নরম পিঠের মাঝে শিরদাঁড়ার উপরে একটা চুমু খেতেই আমি পিঠটাকে কুঁচকে নি। নিলয় জিভটা বের করে আমার শিরদাঁড়া বরাবর চাটতে লাগল । আমি আবারও চরম শিহরণ অনুভব করলাম।

আচমকা নিলয় আমাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে আমার দুদ দুটোর দিকে তাকাল ।

উত্তেজনায় দুধের বোটা যেমন মাথা উঁচু করে উঠেছে। তীব্র কামোত্তেজনায় শুধু বোঁটা দুটোই নয় সেই সাথে আমার দুদের বাদামী ঘের এর চারিপাশে ছোট ছোট রন্ধ্র গুলোও যেন ছোট ছোট ব্রণর মতো ফুলে উঠেছে ।

নিলয় আচমকা আমাকে কাছে টেনে আমার বাম দুদ টা মুখে পুরে নিল। ডান দুধটার বোটা চেপে ধরে টিপতে টিপতে , আমার ঘাড়ে মুখ গুঁজে ঘাড়ে চুমু খেয়ে ,কানের লতিটাকে মুখে নিয়ে চুষতে লাগল।

আমি আমার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি, আমার গুদে বান ডেকেছে।আমার নিজের মায়ের পেটের ভাই, আমাকে ন্যাংটা করে আমার কুমারি শরীরটা নিয়ে আদিম খেলায় মেতে উঠেছে। আমার মন চাইছে আটকাতে, কিন্তু কোনোভাবেই শরীর সায় দিচ্ছে না।

নিলয় এবার কিস করতে করতে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামতে নামতে হাটুর কাছে চলে গেল।

দুই পা এক জায়গায় করে, আমার নরম মসৃণ উরু চাটতে চাটতে দুটো দুই হাত দিয়ে চটকাতে লাগলো।

ভাই আমার উরু চাটতে ও চটকাতে চটকাতে আমার গুদের দিকে এগোতে লাগলো।

আমার দুই পা ফাক করে নিলয় একটা হাত আমার দুই উরুর মাঝে ঢুকিয়ে চটকাতে চটকাতে, আমার গুদে হালকা করে খোঁচা মারতে মারতে,আমার দুই পা ফাক করে আমার গুদের চারপাশে চাটতে লাগলো।

নিলয় শুধুমাত্র আমার গুদের চারপাশে চাটছে, নিলয়ের গরম নিশ্বাস আমার গুদের উপরে পোড়ছে। কিন্তু কখনো গুদে মুখ দিচ্ছে না ।


আমি এই অসহ্য সুখ সহ্য করতে পারছি না, অসহ্য যৌনসুখে আমি কুকড়ে যাচ্ছি। আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না।


নিলয়ের চুলের মুঠি ধরে মুখটা আমার গুদের উপর চেপে ধরে বললাম।

নিলয় আমার সোনা ভাই, তোর দিদিকে এমনভাবে কষ্ট দিস না।

নিলয় আমার গুদ চাটতে শুরু করলো। জিভের ডগাটা গুদের যেদিক দিয়ে যাচ্ছে সেদিকগুলো সুখে অবশ হয়ে যাচ্ছে আমার।

আমি আর সহ্য করতে পারছি না। বালিশে মাথা গুঁজে , নিলয়ের মাথা গুদে চেপে ছটফট করছি।

নিলয় যদি তাও একটু শান্ত হয়।

দু’হাত দু’দিকে বাড়িয়ে আমার পাছা খামচে ধরে নিলয় আমার গুদে জিভ ঢুকিয়ে দিল।

দুই পা তুলে নিলয়কে সুবিধা করে দেবার সাথে সাথে নিলয়ের মাথা দুই পা দিয়ে পেঁচিয়ে নিলাম আমি৷

আজ আমার নিজের মায়ের পেটের ভাই আমার গুদ চুষে , গুদের জল খসাবে।ভাবলেই আমার গুদে বান ডাকছে।

আমার না চুদা কুমারি গুদ টা ভীষণ টাইট ছিল।

নিলয় জিভটা আমার গুদের ভিতর ঢুকিয়ে , পুরো গুদ টা গালের মধ্যে ভরে ,জিভ দিয়ে আমারগুদ চুষছিল ।

আমার নোনতা গুদের খাঁজে হু হু করে চলতে লাগলো নিলয়ের জিভ। শুধু জিভ না। জিভের পরে টোট।

আমি নিজেকে কন্ট্রোল করে অনেকক্ষণ এই সুখে বিভোর হয়ে থাকতে চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু নিলয়ের ওই অসভ্য আঙুল গুলো আস্তে আস্তে কিলবিল করছে যে।

নিলয় আঙুল দিয়ে আমার ক্লিটেরিস ঘষতে ঘষতে, গুদদটা ফাঁক করে নিয়ে জিভটা ভেতরে ঢুকিয়ে একবার গোল করে চেটে দিতেই আমি হড়হড় করে নিলয়ের মুখে জল খসিয়ে, সুখে বেকে গেলাম ।আহহহহহ!

নিলয় সমস্ত গুদের রস চেটে পরিষ্কার করে খেয়ে নিল।


আমার জীবন কাহিনী 

সমাপ্ত,, Next page